দেশে চাকরির সিংহভাগই চয়ে যায় বৈষম্যমূলক কোটা এবং ছাত্রলীগ নামধারী ক্যাডারদের দখলে।

বিবরণ
দেশে চাকরির সিংহভাগই চয়ে যায় বৈষম্যমূলক কোটা এবং ছাত্রলীগ নামধারী ক্যাডারদের দখলে। নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিচয় (ছাত্রলীগের ৬ জন): মো. মোরশেদুল আলম রনি — শাখা ছাত্রলীগের ১ নম্বর সহ-সভাপতি শেখ শাহ আসাদুল্লাহ সালেহীন সৌরভ — ৩ নম্বর সহ-সভাপতি মো. রাব্বি শেখ — ১৬ নম্বর সহ-সভাপতি মো. মোজাক্কির হোসেন — শাখা ছাত্রলীগের কর্মী। ইলিয়াস কাঞ্চন — শাখা ছাত্রলীগ কর্মী মো. শফিকুল ইসলাম — শাখা ছাত্রলীগ কর্মী বাংলাদেশে চাকরি নিয়োগ ব্যবস্থার দৃশ্যপট ছিল দীর্ঘদিনের জমে থাকা বৈষম্য, অস্বচ্ছতা এবং ক্ষমতাসীনদের আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগের বাস্তবতা। এই প্রেক্ষাপটে “ছাত্রলীগ নামধারী ক্যাডারদের” যে অংশটি অবাধে চাকরি পেয়ে যাচ্ছিল, তা ছিল একটি ব্যবস্থাগত দুর্নীতির ফল—যেখানে মেধা নয়, পরিচয় ও পক্ষাবলম্বনই ছিল মূল নিয়ামক। পরীক্ষায় আগেই প্রশ্ন ফাঁস, বা উত্তরপত্রে বিশেষ প্রভাব থাকা ব্যক্তিদের নাম “আগেই চিহ্নিত” থাকত। বহিরাগত ‘চাকরি মাফিয়া চক্র’ ও ছাত্রলীগের যোগসূত্র ছিল অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে। ছাত্রলীগ ভাব নামধারী ক্যাডারদের প্রভাব ছিল খুবই লক্ষণীয়, | নিয়োগ বোর্ডে প্রভাব ; মৌখিক বোর্ডে ছাত্রলীগ নেতাদের পেছনে থাকা প্রভাবশালী নেতা/মন্ত্রীর সুপারিশ নির্ধারণ করত ফলাফল | পরীক্ষায় সহায়তা ; প্রশ্নপত্র ফাঁস বা সিটিং প্ল্যানের হেরফের | | মাঠ প্রশাসনে একচেটিয়া নিয়োগ ;DC অফিস, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে ‘বিশ্বস্ত’ লোক নিয়োগ | বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগেও রাজনৈতিক আনুগত্য থাকলে অযোগ্য হয়েও শিক্ষক হওয়া সম্ভব :
তথ্য সংগ্রহে
Admin Board
আপনার যদি এই কন্টেন্ট সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকে, তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন